শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

‘মোখা’ আতঙ্কে দ্বীপ ছাড়ছেন বাসিন্দারা

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের কারণে কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বাসিন্দারা আবাস ছেড়ে টেকনাফে আসতে শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে অন্তত ৫ শতাধিক মানুষ দ্বীপটি ছেড়েছেন বলে জানা গেছে।

১২ মে (শুক্রবার) সকাল ১০টার দিকে ট্রলারযোগে সেন্ট মার্টিন থেকে টেকনাফ পৌঁছেছেন তারা।

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় মোকার ভয়ে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ছাড়তে শুরু করেছেন বাসিন্দারা। আজ প্রায় ৫ শতাধিক মানুষ দ্বীপ ছেড়েছেন। মূলত সচ্ছল পরিবারের লোকজন দ্বীপ ছাড়ছেন। যারা এখনো বসতভিটায় রয়েছেন তারাও আছেন ভয়ে। কারণে যদিও সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় মোখা দ্বীপে আঘাত আনে নৌপথ ছাড়া যাওয়ার কোন রাস্তা নেই তাই তারা টেকনাফে চলে যাচ্ছে।

সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, ‘সকাল থেকে প্রায় মানুষ সেন্ট মার্টিন ছেড়ে টেকনাফ চলে গেছেন। যারা এখনো দ্বীপে আছেন তাদের প্রত্যেককে সচেতন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আশ্রয়কেন্দ্রসহ হোটেল গুলোতে সিপিপির ১ হাজার ৩’শ স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।‘

টেকনাফ আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক মো. হানিফ যায়যায়দিন কে জানান , ‘দুর্যোগে স্থানীয়দের জন্য উপজেলায় সরকারি-বেসরকারি ৮৭টি আশ্রয়কেন্দ্রসহ শতাধিক হোটেল-মোটেল ও ডাকবাংলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিশেষ জোন হিসেবে সেন্ট মার্টিন, শাহপরীর দ্বীপের জন্য নৌবাহিনীসহ বিজিবি, পুলিশ, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস, মেডিকেল টিমসহ স্বেচ্ছাসেবীদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান বলেন, ‘ইতিমধ্যে সেন্ট মার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপে হোটেল-মোটেলসহ অর্ধশতাধিক আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিশেষ করে দুই দ্বীপের (সেন্ট মার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপ) বাসিন্দাদের সচেতনতার পাশাপাশি আশ্রয়কেন্দ্রে আসার জন্য আগে থেকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। সে জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রীর ব্যবস্থা, স্কুল, আবহাওয়া অফিস, ডাকঘর ও হোটেলগুলো খোলা রাখতে বলা হয়েছে।’

কক্সবাজার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘জেলার প্রতিটি উপজেলায় পাঁচ টন চাল পাঠানো হয়েছে। কক্সবাজার সদর, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও টেকনাফে নগদ দেড় লাখ টাকা পাঠানো হয়েছে। তাছাড়া জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য ৪৯০ টন চাল, নগদ ১০ লাখ ৩০ হাজার টাকা, ১৯৪ বান্ডিল ঢেউটিন মজুত রয়েছে। আরও পাঁচ লাখ টাকা ও পাঁচ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ চেয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি রোহিঙ্গা শিবির গুলোতে প্রচার প্রচারণার পাশাপাশি সতর্ক করা হয়েছে এবং জুরুরি সেবা ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি পুলিশি সেবা পেতে জাতীয় হেল্প লাইন নাম্বার চালু করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com